ঢাকা, শনিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২২ | ৮ মাঘ ১৪২৮ | ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে আশা টিকিয়ে রাখল নিউজিল্যান্ড

স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে আশা টিকিয়ে রাখল নিউজিল্যান্ড

সংগৃহীত

চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১৬ রানে হারিয়ে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সঙ্গে সেমির লড়াইয়ে টিকে থাকল নিউজিল্যান্ড। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে কিউয়িরা। জবাব দিতে নেমে ১৫৬ রানে থামে স্কটল্যান্ড।

আজ বুধবার বিকালের এ ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করেতে নেমে স্কটিশ বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ৫৪ রানেই ৩ উইকেট হারায় দলটি। তবে মার্টিন গাপ্টিলের ব্যাটিং ঝড়ে শেষ পর্যন্ত পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে সামর্থ হয় কিউয়িরা।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৩ রান করলেও মাত্র ৭ রানের আক্ষেপ নিয়ে ফেরেন ওপেনার মার্টিন গাপ্টিল। তাঁর ৫৬ বলের এই ঝোড়ো ইনিংসে ছিল ছয়টি চারের সঙ্গে সাতটি বিশাল বিশাল ছক্কার মার। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান আসে গ্লেন পিলিপসের ব্যাট থেকে।

স্কটিশ বোলারদের মধ্যে পেসার ব্রাড হোয়েল ও সাফিয়ান শরিফ দুটি করে এবং স্পিনার মার্ক ওয়াট একটি উইকেট দখল করেন। তবে ৪ ওভারে মাত্র ১৩টি রান দেন বাঁহাতি এই স্পিনার।

জবাব দিতে নেমে কিউয়ি বোলারদের তোপের মুখে ২১ রানেই প্রথম উইকেট হারায় স্কটিশরা। সেই ধারাবাহিকতায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেয় বোল্ট-সোধি-সাউদিরা। যাতে ১৬তম ওভারে ১০৬ রানেই পঞ্চম উইকেট খুইয়ে বসে স্কটল্যান্ড।

এখান থেকে ব্যাটে ঝড় তুলে মাত্র ২৬ বলে ৫০ রান তুললেও দলের জয় নিশ্চিত করতে পারেননি মাইকেল লিস্ক ও ক্রিস গ্রিভস। যার ফলে জয় থেকে ১৬ রান দূরে থাকতেই থেমে যায় দলটির ইনিংস। লিস্ক মাত্র ২০ বলে তিনটি করে চার-ছয়ে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং গ্রিভস অপরাজিত থাকেন ১০ বলে ৮ রান করে।

কিউয়িদের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন ইশ সোধি ও ট্রেন্ট বোল্ট। এছাড়া একটি উইকেট যায় সাউদির ঝুলিতে। তবে ম্যাচ সেরা হন মাত্র ৭ রানের আক্ষেপে পোড়া মার্টিন গাপ্টিল।

এদিকে, এই জয়ে লিগ টেবিলের তিন নম্বরে নিউজিল্যান্ড। আর ভারতের বিপক্ষে লড়াইয়ে নামার আগে ৩ ম্যাচে ২টি জয়সহ ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-২'এর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। ভারত এখনও জয়ের মুখ দেখেনি। তারা হেরেছে ২টি ম্যাচেই। তবে নেট রান-রেটের নিরিখে তারা রয়েছে স্কটল্যান্ডের আগে ৫ নম্বরে।

এমএস