ঢাকা, শনিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২২ | ৮ মাঘ ১৪২৮ | ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

দিন শেষে ১৮৫ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান

দিন শেষে ১৮৫ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান

ছবি : সংগৃহীত

দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে বল হাতে রাজত্ব চালিয়েছেন হাসান আলী। এরপর বাকি সময়টাতে পুরো ২২ গজে দাপট চালালেন পাকিস্তানের উদ্বোধনী দুই ব্যাটার আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিক। দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ কোন উইকেট না হারিয়ে ১৪৫ রান।  আবিদ আলী ১৮০ বলে ৯ চার ও ২ ছয়ে ৯৩ রান করে এবং অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ শফিক ১৬২ বলে ২ চার ও সমান ছয়ে ৫২ রানে অপরাজিত আছেন। দ্বিতীয় দিন শেষে পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে পিছিয়ে আছে ১৮৫ রানে। আলো স্বল্পতার কারণে দ্বিতীয় দিনেও ৩.২ ওভারের খেলা কম হয়েছে। 

শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের অন্তর্ভূক্ত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টটি সকাল ১০টায় শুরু হয়।

প্রথম দিনের শেষে পাকিস্তানের পেসার হাসান আলী বলেছিলেন বাংলাদেশকে ৩৫০ রানে আটকে রাখতে চান। তিনি যে এটি কথা বলার জন্য বলেননি তার প্রমাণ দিয়েছেন দ্বিতীয় দিনে মাঠে এসে। তার পেস তোপে পড়ে প্রথম ইনিংসে ৩৩০ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন হাসান আলী। একে একে তুলে নেন ৫ টাইগারদের। 

দলীয় ২৫৫ রানে লিটন হাসান আলী বলে এলবির ফাঁদে পড়ে বিদায় নিলে ভাঙে ২০৬ রানের জুটি। তার আগে ২৩৩ বলে এক ছয় ও ১১ চারে করেন ১১৪ রান। এরপর অভিষিক্ত ইয়াসির আলী নামলেও সুবিধা করতে পারেননি। দলীয় ২৬৭ রানে তাকে বোল্ড করে ফেরান হাসান আলী। তার বিদায়ের ১০ রান পর নার্ভাস নাইনটিজের শিকার হন মুশফিকুর রহীম। ফাহিম আশরাফের বলে উইকেটের পেছনে রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। তার আগে অবশ্য ২৫৫ বলে ১১ চারের সাহায্যে ৯১ রানের ইনিংস খেলেন। 

ক্যারিয়ারে এর আগে ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৫, ২০১৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৩ ও ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯২ রান করে আউট হয়েছিলেন মুশফিক। এর মধ্যে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল চট্টগ্রামেই।

মুশফিকের বিদায়ের মিরাজ অষ্টম উইকেটে তাইজুলকে নিয়ে ২৮ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৩০৪ রানে আফ্রিদির বলে স্লিপে শফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তাইজুল। নবম উইকেটে রাহীকে সঙ্গে নিয়ে ২৬ রানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন মিরাজ। দলীয় ৩৩০ রানে হাসান আলীর বলে স্লিপে শফিককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রাহী। পরের বলেই এবাদতকে দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড করলে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৩৩০ রানে। মিরাজ অপরাজিত থাকেন ৬৮ কলে ৬ চারের সাহায্যে ৩৮ রান করে। 

পাকিস্তানের হয়ে হাসান আলী ৫টি, শাহীন আফ্রিদি ও ফাহিম আশরাফ ২টি করে এবং সাজিদ খান একটি উইকেট লাভ করেন। 

এর আগে শুক্রবার টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তানের বোলারদের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে টাইগার টপঅর্ডার। দলীয় ৪৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। এরপর পঞ্চম উইকেটে লিটন দাস ও মুশফিকুর রহীম ২০৪ রানের জুটি গড়লে প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫৩ রান। লিটন ১১৩ রানে ও মুশফিক ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন।

এমএস