ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২ | ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ | ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩

পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের আজ জন্মদিন

পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের আজ জন্মদিন

ফাইল ছবি

পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের আজ জন্মদিন। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ ইন্তেকাল কেরন। 

জসীম উদ্‌দীনেরলেখা ‘কবর’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় সৃষ্টি। 

তিনি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার বাড়ি ছিলো একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মায়ের নাম আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট। 

জসীম উদ্‌দীন ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল, ও পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে পড়ালেখা করেন। এখান থেকে তিনি তাঁর প্রবেশিকা পরীক্ষায় ১৯২১ সনে উত্তীর্ণ হন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি. এ. এবং এম. এ. শেষ করেন যথাক্রমে ১৯২৯ এবং ১৯৩১ সনে। ১৯৩৩ সনে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী পদে যোগ দেন। ১৯৩৮ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সনে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মান সূচক ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করেন।

তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাঁকে তার নিজ গ্রাম বিমলগুহে সমাধিস্থ করা হয়।

তাঁর রচনাবলীর মধ্যে উল্লেখথযোগ্য-
কাব্যগ্রন্থ রাখালী (১৯২৭),নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯),বালুচর (১৯৩০), ধানখেত (১৯৩৩), সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪), হাসু (১৯৩৮), রঙিলা নায়ের মাঝি(১৯৩৫), রুপবতি (১৯৪৬), মাটির কান্না (১৯৫১), এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬), সকিনা (১৯৫৯), সুচয়নী (১৯৬১), ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২),মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩), হলুদ বরণী (১৯৬৬), জলে লেখন (১৯৬৯), কাফনের মিছিল (১৯৮৮) ইত্যাদি।

তিনি প্রেসিডেন্টস এওয়ার্ড ফর প্রাইড অফ পারফরমেন্স ১৯৫৮, একুশে পদক ১৯৭৬, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ১৯৭৮,(মরণোত্তর) পান। ১৯৭৪ সনে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন।

তিনি রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট ডিগ্রি অর্জন করেন ১৯৬৯ সালে।

এএইচ