ঢাকা, রবিবার, ৩ জুলাই ২০২২ | ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ | ৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

রেলের সেই টিটিই শফিকুলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

রেলের সেই টিটিই শফিকুলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

সংগৃহীত ছবি

রেলের ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরিদর্শক (টিটিই) মো. শফিকুল ইসলামের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

রবিবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। ওই ঘটনায় পাকশীর রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) নাসির উদ্দিনকে শোকজ করা হবে বলেও জানান তিনি।

রেলমন্ত্রী আরও বলেন, টিটিইকে কাজে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। আমার স্ত্রী আমাকে না জানিয়ে যেটা করেছেন, সেটা ঠিক হয়নি। তাতে আমি বিব্রত।

বিনা টিকেটে তার স্ত্রীর আত্মীয়দেরকে তিনি চিনতেন না বলে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, এটা খুবই লজ্জার। আমার স্ত্রীর যদি রেল সম্পর্কিত কোনো কিছু চাওয়ার বা বলার থাকলে সে আমাকে বলবে। তা না করে তার এ ধরনের কাজ করা উচিত হয়নি।

তিনি বলেন, আমার মাত্র ৯ মাস আগে তার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে। সব আত্মীয় স্বজনকে আমি চিনি না। তবে ওই টিটিই নাকি যাত্রীদের জরিমানা আদায় নিয়ে কথা কাটাকাটি ও খারাপ ব্যবহার করেছেন। যা যাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়। আর একই অভিযোগ করে আমার স্ত্রীও ডিসিওকে ফোন করে বলে শুনেছি। তার এসব করা মোটেই উচিত হয়নি। আমি পুরো ঘটনায় লজ্জিত।

মন্ত্রীর ব্রিফিংয়ের আগে রেলওয়ের টিটিই শফিকুল ইসলামকে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের কথা জানান রেলওয়ে পাকশী বিভাগের ব্যবস্থাপক শাহীদুল ইসলাম। এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, শফিকুল ইসলাম বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। এ মুহূর্ত থেকেই তিনি আবার কাজে যোগ দিতে পারবেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে টিকিট ছাড়াই পাবনা থেকে ঢাকামুখী ট্রেনে উঠে এসি কামরায় বসেছিলেন তিন যাত্রী। ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরিদর্শক (টিটিই) এলে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলামের আত্মীয় পরিচয় দিয়েছিলেন তারা। তখন বিনা টিকিটে ভ্রমণের জন্য তাদের কাছ থেকে জরিমানাসহ ভাড়া আদায় করেন টিটিই। এ ঘটনার পর ওই টিটিইকে মুঠোফোনে সাসপেন্ড করার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার তিনি আর কাজে যোগ দিতে পারেননি।

এমএস