ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২ | ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ | ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩

আন্দোলনের স্বপ্ন বাদ দিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন : তথ্যমন্ত্রী

আন্দোলনের স্বপ্ন বাদ দিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন : তথ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে শেষ মুহূর্তে তারা নির্বাচনে এলেও প্রস্তুতির অভাবে ভালো করতে পারেনি। আন্দোলনের স্বপ্ন বাদ দিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। আর ২০১৪ সালের মতো যদি জ্বালাও-পোড়াও করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন তিনি।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার রাজধানীর ফার্মগেট কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ভবনের কনফারেন্স রুমে জাতীয় কীটতত্ত্ব সমিতির ১১তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কৃষিজমি রক্ষা করা। যেভাবে প্রতি বছর কৃষিজমি কমছে এতে এ শতাব্দির শেষে বাংলাদেশের আর কোনো কৃষিজমি থাকবে না। এতো দূরেও নয়, ১০ বছর পরের অবস্থা চিন্তা করলে দেখা যাবে, তখন হয়তো আরও ২০ লাখ একর জমি কমে যাবে। কিন্তু ততদিনে আড়াই কোটি মানুষ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবে। তখন কীভাবে এতো মানুষকে আমরা খাওয়াবো?


তিনি বলেন, সেজন্য কোনো জমির মধ্যে স্থাপনা তৈরি হচ্ছে মনে বাংলাদেশের বুকে পেরেক মারা। কৃষিজমি রক্ষার আইন সবাইকে মানতে হবে। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আয়তনে একদম ছোট। কিন্তু উৎপাদনে বিস্ময়। যখন দেশে সাড়ে ৭ কোটি লোক ছিল, তখনো খাদ্য ঘাটতি ছিল। এখন মানুষ তিনগুণ বেড়েছে। সে তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কৃষিজমি কমেছে। এরপরও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেরেছি। আর সেটা সম্ভব হয়েছে দেশের উর্বর ভূমি ও সরকারের প্রচেষ্টার কারণে।

তিনি বলেন, সে অর্জন ধরে রাখতে হবে। এ সরকার কৃষিবান্ধব। বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা কৃষিখাতে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু সেটা বন্ধ করতে প্রচেষ্টা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ এ ভর্তুকি প্রত্যাহার করতে বলেছিল। কিন্তু সরকার মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে কৃষির ভর্তুকির এজেন্ডা নিয়ে কথা বলেছে। সেজন্যই আমরা কৃষিতে এতটা এগিয়েছি।

জাতীয় কীটতত্ত্ব সমিতির সভাপতি ড. সৈয়দ নুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. শেখ মুহাম্মদ বখতিয়ার। আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কীটতত্ত্ব সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. রেজাউর রহমান।

এমএস