ঢাকা, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ | ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ | ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

২০ হাজার গানের গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার আর নেই

২০ হাজার গানের গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার আর নেই

ফাইল ছবি

প্রায় ২০ হাজার বাংলা গানের গানের স্রষ্টা, কিংবদন্তি গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ার আর নেই। আজ রিববার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহিরাজিউন।

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের পুত্র সারফরাজ আনোয়ার ও পুত্রবধূ শাহানা মির্জা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তারা জানান, অসুস্থ অবস্থায় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার পরীক্ষা করে বলেন, তার পালস পাওয়া যাচ্ছে না। এর কিছুক্ষণ পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুত্রবধূ শাহানা মির্জা বলেন, গত কয়েকদিন ধরে এসিডিটির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। আমরা শনিবার তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই। রক্ত পরীক্ষা করানো হয়েছিল। আজ বার আরও অনেক কিছু পরীক্ষা করার কথা ছিল। কিন্তু সকালে তো তিনি চলে গেলেন।

দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে বেতার, টেলিভিশন, সিনেমাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার গান রচনা করেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। তার লেখা কালজয়ী গানও অসংখ্য। গীতিকবিতায় অবদান রাখার জন্য তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার  লাভ করেন । পাঁচবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

গাজী মাজহারুল আনোয়ার ১৯৪৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার দাউদকান্তিতে জন্মগ্রহণ করেন। তার কন্যা দীঠি আনোয়ার একজন সঙ্গীত শিল্পী।

তার লেখা কিছু কালজয়ী গান হলো-‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’, ‘আছেন আমার মুক্তার আছেন আমার বারিস্টার’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে’, ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’, ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, ‘ও পাখি তোর যন্ত্রণা’, ‘ইশারায় শীষ দিয়ে’, ‘চোখের নজর এমনি কইরা’, ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, ‘মন যদি ভেহে যাযয়, যাক’ প্রভৃতি।

এএইচ