ঢাকা, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৫

ভাষাবিজ্ঞানী আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ আর নেই

ভাষাবিজ্ঞানী আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ আর নেই

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ভাষাবিজ্ঞানী  আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ আর নেই। মঙ্গলবার রাজধানীর নাখালপাড়ার নিজ বাসায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

আবুল কালাম মনজুর মোরশেদের মেয়ে মনজুলা মোরশেদ গণমাধ্যমকে বলেন, বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সপ্তাহে দুটি ক্লাস নিতেন। সকালে শরীর খারাপ লাগায় ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি। বেলা ১১টার দিকে শুয়ে ছিলেন বাসায়। ১২টার দিকে বাসার সহকারী গোসলের জন্য ডাকলে কোনো সাড়া না পেয়ে আমাকে কল দেন। আমি গিয়ে দেখি তিনি আর নেই। ধারণা করছি, স্ট্রোক করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, বাবার জানাজা আজ বুধবার বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। দাফন করা হবে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।

আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক ও রাজশাহী গভর্নমেন্ট কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিএ ও এমএ পাস করেন। পরে ভাষাবিজ্ঞানে এমএ করেন কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং পিএইচডি করেন স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরে আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৩ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক অর্জন করেন। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বাংলা একাডেমি।
 
আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরে আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।