ঢাকা, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ১ বৈশাখ ১৪৩১ | ৫ শাওয়াল ১৪৪৫

বীমা ব্যবসায় অযোগ্য হচ্ছে ৩৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক

বীমা ব্যবসায় অযোগ্য হচ্ছে ৩৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সরকারি-বেসরকারি ৩৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংকাস্যুরেন্স ব্যবসায় অযোগ্য হচ্ছে। যেসব ব্যাংকের মোট বিতরণ করা ঋণের ৫ শতাংশ খেলাপি, তারা ‘ব্যাংকাস্যুরেন্স’ বা বীমা ব্যবসা করতে পারবে না। একই সঙ্গে মূলধন সংকট, ক্রেডিট রেটিং গ্রেড-২-এর কম থাকা এবং টানা তিন বছর মুনাফা করতে পারছে না এমন ব্যাংক বীমা কম্পানির এজেন্ট হতে বা ব্যবসা করতে পারবে না। এর ফলে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি ৩৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংকাস্যুরেন্স ব্যবসায় অযোগ্য হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা জারি করেছে।

‘ব্যাংকাস্যুরেন্স’ নীতিমালায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কার্যরত তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাংকাস্যুরেন্স প্রবর্তন করা হয়েছে। ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৭(১)(ল) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনক্রমে সব তফসিলি ব্যাংক বীমা কম্পানির ‘করপোরেট এজেন্ট’ হিসেবে বীমা পণ্য বিপণন ও বিক্রয় ব্যবসা ১২ ডিসেম্বর থেকে করতে পারবে। ‌‘ব্যাংকাস্যুরেন্স’ অর্থ ব্যাংক এবং বীমা কম্পানির মধ্যে একটি অংশীদারি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ব্যাংক তার গ্রাহকদের কাছে বীমা পণ্য বিপণন ও বিক্রয় করতে পারবে। এ জন্য অবশ্যই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) থেকে করপোরেট এজেন্ট লাইসেন্স নিতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী দেশে ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ৩৪টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ শতাংশের বেশি। এসব ব্যাংক বীমার করপোরেট গ্রাহক থেকে বাদ পড়বে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি এবং বিশেষায়িত দুটি ব্যাংকের খেলাপির কারণে গ্রাহক হতে পারবে না। অন্যদিকে ২৭টি ব্যাংকের খেলাপি ৫ শতাংশের কম হওয়ায় গ্রাহক হতে পারবে। তবে শর্ত অনুযায়ী, শরিয়াভিত্তিক মোট ১০ ব্যাংকের মধ্যে সাতটি এবং বিদেশি ৯টি ব্যাংকের মধ্যে সাতটি ব্যাংকাস্যুরেন্স হওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত।