শিরোনাম
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি
কোনো শিরোনাম পাওয়া যায়নি

৫ জুলাই: চার দফা দাবিতে দেশব্যাপী অনলাইন-অফলাইনে সমন্বয়কদের ব্যাপক জনসংযোগ

রিপোর্টার / লেখক: গ্লোবাল টিভি বিডি | প্রকাশিত: 05 Jul 2026, 04:13 PM
 ৫ জুলাই: চার দফা দাবিতে দেশব্যাপী অনলাইন-অফলাইনে সমন্বয়কদের ব্যাপক জনসংযোগ

২০২৪ সালের ৫ জুলাই (শুক্রবার) সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল সংক্রান্ত চার দফা দাবির ভিত্তিতে দেশজুড়ে অনলাইন ও অফলাইনে সমন্বিত জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ সমন্বয়করা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে এই কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।

এর আগে ৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ প্রত্যাহারের প্রাক্কালে ৩ দিনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

সে সময় নাহিদ ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেভাবে আমাদের চার দফা দাবিতে আন্দোলন চলছে, সেভাবেই তা চলতে থাকবে। এখন পর্যন্ত নির্বাহী বিভাগ বা সরকারের কোনো দপ্তর থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি এবং কোনো রকম আশ্বস্তও করা হয়নি। এজন্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবেই।

ভিডিও প্রতিবেদন

খামেনির দীর্ঘ ৪ মাস পরের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল, তীব্র মার্কিনবিরোধী স্লোগান | Global TV News

  • সমন্বয়কদের ঘোষিত কর্মসূচির বিবরণ ছিল নিম্নরূপ:

শুক্রবার (৫ জুলাই): চার দফা দাবির ভিত্তিতে দেশব্যাপী অনলাইন ও অফলাইনে ব্যাপক জনসংযোগ।
শনিবার (৬ জুলাই): দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে বিকেল ৩টায় বিক্ষোভ মিছিল।
রোববার (৭ জুলাই): দেশের সব উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে ছাত্র ধর্মঘট পালন।

আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহও কর্মসূচির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, শুক্রবারেও আমাদের কর্মসূচি বন্ধ থাকবে না, আমরা অনলাইন ও অফলাইনে আমাদের চার দফা দাবিকেন্দ্রিক ব্যাপক প্রচারণা চালাবো। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবেই।

সমন্বয়কদের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সভা-সমাবেশে ব্যাপক হারে অংশগ্রহণ করতে থাকেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রতিটি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ৪ ও ৫ জুলাইয়ের মধ্যে অভিন্ন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বানে পূর্ণ একাত্মতা পোষণ করেন।

এই সিদ্ধান্তের প্রভাব দেশের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই ছড়িয়ে পড়ে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপক প্রচার পায়। কোন কোন বিভাগ ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছে, তার একটি হালনাগাদ তালিকাও সমন্বয়করা ফেসবুকে প্রকাশ করেন।

এদিকে, সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিলের জারিকৃত সরকারি পরিপত্রের অংশবিশেষ অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন 'সাদা দল'। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করে।