ঢাকা, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ | ৭ জ্বিলকদ ১৪৪৭

শিরোনাম

দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না

দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা একটি স্থিতিশীল, সংবেদনশীল ও সহনশীল রাজনীতির পথে এগোচ্ছি। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারা যে দলেরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, যাদের প্রকৃত অর্থে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ কারও নেই। বিশ্ববিদ্যালয় হবে জ্ঞানচর্চার জায়গা, এখানে দলীয়করণের কোনো সুযোগ নেই। আইনের ঊর্ধ্বে গিয়ে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না এবং ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আল ফোরকানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন প্রমুখ।

লোডশেডিং সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, লোডশেডিংয়ের সংকট নেই এ কথা বলা যাবে না। সংকটের কথা চিন্তা করে আমরা অনেক দেরিতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছি। ওয়াশিংটনে জ্বালানি তেলের দাম দিগুণ করা হয়েছে, সেই জায়গায় বাংলাদেশে ১০-১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকারের তো সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। দেশটাকে তো চালাতে হবে। সরকার চলে ট্যাক্সের টাকায়। এজন্য আমাদেরকে সাবধান হতে হবে। আমাদের কৃচ্ছ্রসাধনও করতে হবে, যাতে ঘরের লাইট অফ না হয়, কোনো কলকারখানা বন্ধ না হয়, মানুষের কাজকর্মে কোনো অসুবিধা না হয়। আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

ব্যাংক খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার সবসময় আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা বজায় রেখেছে। প্রত্যেকবার বিএনপি সরকারের সময়ে শেয়ার বাজার ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ছিল। এখনো হবে কিন্তু একটু সময় দিতে হবে। ২৩০ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলো সব লুটপাট করে ধ্বংস করা হয়েছে। শেয়ার বাজার ধ্বংস, জনগণের অর্থ ব্যাংকগুলো দিতে পারছে না। অনেকে ট্রিটমেন্ট করবে সেই টাকা ব্যাংক থেকে নিতে পারছে না। এর থেকে দুঃখজনক কিছু আছে? এসব রিকভার করার দায়িত্ব এখন বিএনপির কাঁধে এসেছে। এটাকে ঘুরিয়ে আনতে একটু সময় দিতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি।

—এজেড