শিরোনাম
চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক বিএনপি ক্ষমতায় এলে ক্যাম্পাসে রাহাজানি, সিট দখলসহ এসব অপকর্ম হয় না হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১৪৫ চট্টগ্রামে একীভূত হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের বিক্ষোভ বাহরাইনকে কঠোর সতর্কবার্তা দিলো ইরান প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা বেল্লাল বহিষ্কার হামলা বন্ধ করে পুনরায় আলোচনায় সম্মত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র রাজবাড়ীতে ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেললাইনে আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার অন্ধকারের মুখে: জামায়াত আমির বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারের ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল বিরোধীদলের আসনগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ
চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক বিএনপি ক্ষমতায় এলে ক্যাম্পাসে রাহাজানি, সিট দখলসহ এসব অপকর্ম হয় না হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১৪৫ চট্টগ্রামে একীভূত হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের বিক্ষোভ বাহরাইনকে কঠোর সতর্কবার্তা দিলো ইরান প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা বেল্লাল বহিষ্কার হামলা বন্ধ করে পুনরায় আলোচনায় সম্মত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র রাজবাড়ীতে ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেললাইনে আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার অন্ধকারের মুখে: জামায়াত আমির বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারের ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল বিরোধীদলের আসনগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ
Special News
Hero TOP
বিরোধীদলের আসনগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ

বিরোধীদলের আসনগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আসনগুলোতে মসজিদ, গোরস্থান ও ঈদগাহের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঐচ্ছিক তহবিল থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা মঞ্জুরি বরাদ্দ করা হয়েছে। এ বরাদ্দ সিটি করপোরশেনের আওতায় থাকা বিরোধীদলীয় সদস্যদের আসনের জন্য রাখা হয়নি। তবে পরবর্তীতে সেখানেও দেওয়া হবে।আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তাঁর ঐচ্ছিক তহবিল থেকে আমাদের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আসনগুলোতে সিটি করপোরেশন বাদ দিয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকা মসজিদ, গোরস্থান ও ঈদগাহের জন্য মঞ্জুরি বরাদ্দ করেছেন।’পরে ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম মিলন দাঁড়িয়ে কিছু বলতে চান। কিন্তু স্পিকার তাঁকে ফ্লোর দেননি। পরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে ফ্লোর দেন স্পিকার। তখন মন্ত্রী বলেন, এটা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশনগুলোকে পরবর্তীতে দেওয়া হবে।পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘৪০ বছর আমিও এই সংসদে কাটিয়েছি। বিরোধী দলেরও সদস্য ছিলাম। একটি কানাকড়িও কোনোদিন পায়নি। পাঁচবার গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গিয়েছি, এইটুকুই পেয়েছি। প্রাপ্তিযোগে অন্যকিছু হয়নি।’স্পিকারের আসনে বসায় ভোলার সমস্যাগুলো তুলে ধরতে পারছেন না বলেও উল্লেখ করেন স্পিকার। এর আগে বিরোধীদলীয় নেতা ভোলার উন্নয়নের জন্য একাধিক প্রস্তাব করেন, যার জন্য হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানান।-এজেড

Jatiyo Section Head
১৭ লাখ শিশুর শৈশব যখন বন্দি শ্রমে!

১৭ লাখ শিশুর শৈশব যখন বন্দি শ্রমে!

যেই বয়সে একটি শিশুর হাতে থাকার কথা ছিল রঙিন খাতা-কলম আর খেলার সামগ্রী, সেই বয়সে হাতুড়ি আর ভারী যন্ত্রাংশ সামলাচ্ছে দেশের লাখো লাখো শিশু! শত চেষ্টা আর আইনি পদক্ষেপের পরও কোনোভাবেই যেনো অবসান ঘটানো যাচ্ছে না এই নির্মম বাস্তবতার।আজ (২৯ জুন) সোমবার ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষ্যে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় উঠে এসেছে দেশের শিশুশ্রমের এক হাড়হিম করা চিত্র।সরকার ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও-এর যৌথ নতুন প্রতিবেদনে জানা গেছে, বাংলাদেশে এখনো ১৭ লাখ ৮০ হাজার শিশু কোনো না কোনো শ্রমের সাথে সরাসরি যুক্ত। এর চেয়েও ভয়াবহ তথ্য হলো, এর মধ্যে ১০ লাখ ৭০ হাজার শিশুই কাজ করছে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে, যা প্রতিনিয়ত তাদের জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।বিভাগীয় শীর্ষে চট্টগ্রাম, জেলায় কুড়িগ্রামপরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিভাগীয় পর্যায়ে শিশুশ্রমের এই হার সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম বিভাগে, যেখানে প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার শিশু শ্রমে নিয়োজিত। এর ঠিক পরেই ৩ লাখ ৪০ হাজার শিশু নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। তবে দেশের জেলাগুলোর মধ্যে এককভাবে কুড়িগ্রাম জেলায় শিশু শ্রমিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আর পুরো দেশের এই মোট শিশু শ্রমিকের মধ্যে ছেলের সংখ্যাই বেশি, প্রায় ১৩ লাখ ৭০ হাজার এবং মেয়ের সংখ্যা ৪ লাখ।তিনটি প্রধান খাতে খাটছে শিশুরাপ্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশের শিশুরা প্রধানত তিনটি খাতে সবচেয়ে বেশি খাটছে, শিল্প, সেবা ও কৃষি। এর মধ্যে শিল্প খাতে সর্বোচ্চ ৭ লাখ ৯০ হাজার, সেবা খাতে ৫ লাখ ৬০ হাজার এবং কৃষি খাতে ৪ লাখ ২০ হাজার শিশু নিয়োজিত। সরকার ইতোমধ্যেই ৪৩টি কাজকে শিশুদের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যার মধ্যে রয়েছে অ্যালুমিনিয়াম ও কাচ কারখানা, অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ, ইট ভাঙা, ওয়েল্ডিং, জাহাজভাঙা শিল্প এবং আবর্জনা ব্যবস্থাপনার মতো চরম বিপজ্জনক কাজগুলো।কাগজে কঠোর আইন, প্রয়োগে দুর্বলতাঅথচ, ২০২৬ সালে সংশোধিত বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী, কাজে যোগদানের সর্বনিম্ন বয়স ১৪ বছর। এই আইন অমান্য করে কোনো শিশু বা কিশোরকে কাজে নিয়োগ দিলে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিককে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার স্পষ্ট বিধান রয়েছে। এমনকি কোনো অভিভাবক যদি শিশুকে কাজে দেওয়ার জন্য কোনো অবৈধ চুক্তিতে লিপ্ত হন, তবে তার জন্যও ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে আইন ও নীতিমালার দুর্বল বাস্তবায়ন, চরম দারিদ্র্য এবং প্রাথমিক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার কারণে এই আইনটি বাস্তবে খুব কমই কার্যকর হতে দেখা যায়।লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ বিশ্বজাতিসংঘ ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী শিশুশ্রম সম্পূর্ণ নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও, ২০২৬ সালের এই বর্তমান বৈশ্বিক রিপোর্ট বলছে, সেই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি। এখনো বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ৮০ লাখ শিশু শ্রমের অন্ধকার চক্রে বন্দি।শুরু করতে হবে নিজের ঘর থেকেঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "শিশুশ্রম নির্মূলের কাজ শুরু হতে হবে নিজের ঘর থেকে। শুধু সেমিনারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবসম্মত ও টেকসই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশ থেকে শিশুশ্রম দূর করতে হবে।একই সাথে আগামী এক বছরের মধ্যে একটি কার্যকর পাইলট প্রোগ্রাম ডিজাইন করে কত শতাংশ শিশুকে শ্রম থেকে ফিরিয়ে এনে শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলো, তার বাস্তব প্রমাণ দেখানোর জন্য তিনি কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ দেন। এছাড়াও দেশব্যাপী ব্যাপক গণসচেতনতা তৈরির জন্য প্রতিটি মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধবিহারের মতো ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোকে খুতবা বা ধর্মীয় সভার মাধ্যমে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ২০৩০ সালের মধ্যে শিশুশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে, দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করা এবং অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে সম্পূর্ণ বাধ্যতামূলক করার জোর আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।-এজেড

Hero TOP
‘কুচি কুচি করে কাটার পরে বলেন, আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশটা চালাই’

‘কুচি কুচি করে কাটার পরে বলেন, আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশটা চালাই’

সরকারি দলের সদস্যদের বক্তব্যের সমালোচনা করে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, একটা প্রবণতা আমি লক্ষ্য করেছি, প্রায় সব বক্তা কুচি কুচি করে কাটার পরে বলেন, এগুলো ছাড়েন। আসেন ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা দেশটা চালাই। ওই কুচি কুচি করার যন্ত্রটা আসুন আমরা ফেলে দিই। আমরা একটা বিউটিফুল, ওয়ানডারফুল কম্বিনেশন নিয়ে চলি। যানবাহন চালাতে হলে অন্তত দুইটা টায়ার লাগে। এই সংসদেরও দুইটা টায়ার। একটা সরকারি দল, আরেকটা বিরোধী দল। যেকোনো একটা টায়ার যদি অকেজো হয়ে যায়, পুরো যানবাহন অকেজো হয়ে পরে। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির সংসদে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, জেনারেল এম এ জি ওসমানী, আ স ম আবদুর রবসহ সব শহীদ ও জীবিত মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।সংসদ সদস্যদের আচরণে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, সীমাহীন ত্যাগের মধ্য দিয়ে আজকের এই পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছে। এই পার্লামেন্ট মজলুমের পার্লামেন্ট। সংগত কারণেই আশা করি যে, এই পার্লামেন্ট এমন কোনো আচরণ করবে না, যেটা মজলুম দেশবাসীকে আহত করে। এই পার্লামেন্ট দায়িত্বশীল আচরণ করবে, জাতিকে স্বপ্ন দেখাবে, জাতিকে জাগিয়ে তুলবে, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করবে ও জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে।সংসদ কার্যকর করতে উভয় দলের (সরকারি ও বিরোধী) ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংসদে আজকে আমরা যারা আছি, একসময় আমরা একদিকেই বসতাম। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ , অল্প দু-একজন বা দু-একটি দল ছাড়া। এখন আমরা দুই অংশে সংযুক্ত—আমি বিভক্ত বলছি না। কারণ, কোনো যানবাহনই এক চাকায় চলে না। যানবাহন চালাতে হলে অন্তত দুইটা টায়ার লাগে। এই সংসদেরও দুইটা টায়ার। একটা সরকারি দল, আরেকটা বিরোধী দল। যেকোনো একটা টায়ার যদি অকেজো হয়ে যায়, পুরো যানবাহন অকেজো। সুতরাং আমরা সতর্ক থাকব, দুটি টায়ার যাতে সচল থাকে। এই টায়ারে আপনি পিন লাগাবেন, পেরেক মারবেন, তাহলে কিন্তু ওই টায়ারটা ফুটো হয়ে যাবে। ফুটো হয়ে গেলে ওই অবশিষ্ট টায়ারও চলবে না।এই সংসদে দাঁড়িয়ে ব্যক্তিকে তোষামদ করার জন্য গান হয়েছে, কবিতা হয়েছে, স্বপ্নবিলাস হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বেশিরভাগই নবীন, আর নবীনদের অধিকার থাকে প্রবীণদের কাছ থেকে শেখার। কিন্তু আমরা মন্দটা শিখতে চাই না। আমরা শিখতে চাই ভালোটা। জনগণের ট্যাক্সের টাকা খরচ করে এই সংসদে এটা হওয়া উচিত নয়।

বাহরাইনকে কঠোর সতর্কবার্তা দিলো ইরান

বাহরাইনকে কঠোর সতর্কবার্তা দিলো ইরান

বাহরাইনকে সতর্ক করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একজন উপদেষ্টা বলেছেন, দেশটি উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালালে তেহরান আরও কঠোর জবাব দেবে।ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজকে মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা আলী আকবর বেলায়াতি বলেন, বাহরাইনের জন্য এটি একটি কঠোর সতর্কবার্তা। তাদের নিজেদের সীমা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে, নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এ ধরনের খেলা করা উচিত নয় এবং ইরানকে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা উচিত নয়। তবে ঠিক কোন কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।গত শুক্র ও শনিবার বাহরাইনে মার্কিন নৌ বাহিনীর ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান। তেহরানের দাবি, তাদের ওপর হামলার ক্ষেত্রে বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করছে ওয়াশিংটন। উপসাগরীয় দেশগুলো অবশ্য ইরানের এ দাবি অস্বীকার করেছে। ইরানের সর্বশেষ হামলার নিন্দা জানিয়ে বাহরাইন বলেছে, এ হামলার মধ্য দিয়ে দেশটির সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করা হয়েছে।ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী-আইআরজিসি গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের জবাব হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে। মূলত এর মধ্য দিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের ‘কড়া জবাব’ দেওয়া হবে।যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে সপ্তাহ দুয়েক আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ঘটনা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। শুরু হয় সর্বাত্মক যুদ্ধ। এখন স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তির জন্য সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ৬০ দিনের মধ্যে স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় ওয়াশিংটন ও তেহরান। তবে যুদ্ধ বন্ধের স্মারকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যেসব সমঝোতা হয়েছে, তা লঙ্ঘনের অভিযোগ দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিকবার এনেছে।-এজেড

গাইবান্ধায় বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তার পানি, ২৫টি পয়েন্টে ভাঙন

গাইবান্ধায় বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তার পানি, ২৫টি পয়েন্টে ভাঙন

গাইবান্ধায় তিস্তা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আজই (২৯ জুন) সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড সংশ্লিষ্টরা।গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার বিকেল ৩টা থেকে আজ সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত গেল ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ির তিস্তামুখ পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৯১ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৫০ সেন্টিমিটার ও গোবিন্দগঞ্জের চকরহিমাপুর স্টেশন পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি বিপৎসীমার ৪০৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চলমান বন্যার মৌসুমে পানি কমবেশির দোলাচল হলেও গাইবান্ধায় কোনো নদ-নদীর পানিই এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ভাঙন সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে গাইবান্ধার প্রধান নদ-নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে দেখা দেয় ভাঙন। কোথাও কোথাও ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে বসতভিটা, আবাদি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চলমান পানি বৃদ্ধির প্রভাবে জেলার চার উপজেলার অন্তত ২৫টি পয়েন্টে ভাঙনের কথা জানিয়েছে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় গত কয়েকদিনে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পানি বৃদ্ধির ফলে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত এক সপ্তাহের অব্যাহত ভাঙনের ফলে সদর, ফুলছড়ি,  সুন্দরগঞ্জ ও সাদুল্লাপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী অন্তত ৮ শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বিপুল পরিমাণ আবাদি জমি। ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে নদী পাড়ের মানুষ। ভাঙনকবলিত এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে সুন্দরগঞ্জের কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কালির খামার গ্রামের শখের বাজার, হরিপুর ইউনিয়নের চর চরিতাবাড়ী, রাঘব, চন্ডিপুর ইউনিয়নের উত্তর সীচা, কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার, কেরানির চর, মিন্টু মিয়ার চর ও বাদামের চর। এসব এলাকার অন্তত দুই শতাধিক পরিবারের বসতভিটা ও দেড় শতাধিক বিঘা আবাদি জমি নদীতে ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। অন্যদিকে ফুলছড়ি উপজেলার ভাঙনকবলিত এলাকার মধ্যে রয়েছে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের বালাসীঘাট, রসুলপুর, উড়িয়া ইউনিয়নের রতনপুর, ফজলুপুর ইউনিয়নের মধ্য ও দক্ষিণ খাটিয়ামারীর চর ও চর চৌমোহন। চর চৌমোহনে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে ইতোমধ্যে অন্তত দুই শতাধিক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে চৌমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কয়েকশ বিঘা আবাদি জমি ও বিপুল সংখ্যাক গাছপালা। এ চরের ভাঙনের শিকার মানুষগুলো ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের অনেকেই আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন নতুন কোনো চরে।  এছাড়াও সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামেও নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, পানি বাড়ার সাথে সাথে জেলার নদী তীরবর্তী অঞ্চল ও চরাঞ্চলে ২০ থেকে ২৫টি স্পটে ভাঙন শুরু হয়েছে। আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভাঙনকবলিত এলাকায় ভাঙন ঠেকাতে কাজ করছি।-এজেড

Website Top Header
Jatiyo Section Head
Website Top Header