শিরোনাম
২ লাখ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে বাজেট পাস, মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো যা বরাদ্দ পেলো গ্লোবাল টেলিভিশন সত্য ও সাহসের সঙ্গে আগামীতেও থাকবে: রুমিন ফারহানা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ‌‌‌‌‌‌‌‘জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন কমিটি’ গঠন নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রেখেই নতুন অর্থবছরের প্রথম মুদ্রানীতি ঘোষণা সময় বাঁচাতে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা প্রত্যাহার বিরোধী দলের বৃহস্পতিবার শুরু এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে প্রায় পৌনে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ধস, প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও সাডেন ডেথে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে বিদায় করল প্যারাগুয়ে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক বিএনপি ক্ষমতায় এলে ক্যাম্পাসে রাহাজানি, সিট দখলসহ এসব অপকর্ম হয় না হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১৪৫ চট্টগ্রামে একীভূত হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের বিক্ষোভ
২ লাখ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে বাজেট পাস, মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো যা বরাদ্দ পেলো গ্লোবাল টেলিভিশন সত্য ও সাহসের সঙ্গে আগামীতেও থাকবে: রুমিন ফারহানা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ‌‌‌‌‌‌‌‘জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন কমিটি’ গঠন নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রেখেই নতুন অর্থবছরের প্রথম মুদ্রানীতি ঘোষণা সময় বাঁচাতে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা প্রত্যাহার বিরোধী দলের বৃহস্পতিবার শুরু এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে প্রায় পৌনে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ধস, প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও সাডেন ডেথে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে বিদায় করল প্যারাগুয়ে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক বিএনপি ক্ষমতায় এলে ক্যাম্পাসে রাহাজানি, সিট দখলসহ এসব অপকর্ম হয় না হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১৪৫ চট্টগ্রামে একীভূত হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের বিক্ষোভ
Special News
Hero TOP
আমি বিশ্বাস করি, গ্লোবাল টেলিভিশনের যাত্রা হবে আরও অনেক বেশি বেগবান

আমি বিশ্বাস করি, গ্লোবাল টেলিভিশনের যাত্রা হবে আরও অনেক বেশি বেগবান

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গ্লোবাল টেলিভিশন গত চার বছরের একটা দীর্ঘ যাত্রার মধ্য দিয়ে আজকের এই পরিস্থিতিতে এসে দাঁড়িয়েছেন। আমি আপনাদের সঙ্গে কাজ করার দায়িত্বে যেহেতু নিয়োজিত আছি, সে কারণে এটা আমার জন্য একটা সৌভাগ্য যে, বাংলাদেশের একটি আধুনিক গণমাধ্যমের সঙ্গে আমার এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আরো ঘনিষ্ঠতা বাড়বে।  আমি বিশ্বাস করি যে আপনাদের মালিকানা আপনাদের নীতি নির্ধারক এবং আপনাদের পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দ আধুনিক এই প্রযুক্তির যুগে একটি আধুনিক চ্যানেল হিসেবে চতুর্থ বর্ষ পূর্তিতে আপনাদের যাত্রা হবে আরো অনেক বেশি বেগবান।আজ (৩০ জুন) মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল গ্লোবাল টেলিভিশনের ৪র্থ বর্ষপূতি উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ এন্ড কোম্পানিজের  চেয়ারম্যান মোঃ হারুনুর রশীদ, ব্যবস্থানা পরিচলাক আহাম্মাদ হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবি সমিতির সভাপতি ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিষ্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, সাবেক বিএনপি নেতা সাইফুল আলম নীরব,স্টার নিউজের সিইও মোকসেদুল কামাল, গ্লোবাল টিভির সাবেক হেড অফ নিউজ নাজমুল আশরাফসহ আরও অনেকে।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি, যেকোনো সভ্য সমাজ এবং রাষ্ট্রে গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজ এবং রাষ্ট্রের আয়না। একটা রাষ্ট্রে গণমাধ্যম যতো বেশি পরিচ্ছন্ন থাকে। একটা গণমাধ্যম যত বেশি প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্র গ্রহণ করে তত বেশি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই রাষ্ট্র এবং সমাজ তার মালিকের কাছে জনগণের কাছে সার্বক্ষণিকভাবে প্রতিফলিত হতে থাকে। আমাদের দেশের এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে আমরা যদি প্রকৃত অর্থেই সফল করতে চাই, তাদের মর্যাদাকে যদি প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। তাহলে যে কাজগুলি আমাদের সামনে জরুরি, তার মধ্যে একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে আমাদের দেশের গণমাধ্যমকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক স্থায়ী কাঠামোতে দাঁড় করানো। যেখানে গণমাধ্যম থাকবে স্বাধীন, যেখানে গণমাধ্যমের সকল স্তরের কর্মকর্তা সাংবাদিকবৃন্দরা থাকবেন মর্যাদা সম্পন্ন পেশায় নিয়োজিত, পেশাগতভাবে তারা থাকবেন নিরাপদ এবং মর্যাদাশীল। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। আপনারা জেনে খুব খুশি হবেন এই প্রথম বাংলাদেশের সকল গণমাধ্যম সম্মিলিতভাবে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করে তারা অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তারা জানিয়েছেন যে, এই প্রথম সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের এ পর্যন্ত তারা কোন হস্তক্ষেপ পাননি।তথ্যমন্ত্রী বলেন, গ্লোবাল টেলিভিশনের বয়স কত তা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ আধুনিক প্রযুক্তির যুগে কে কত বয়স্ক তা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কে কত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। সেই অর্থে কে কত তরুণ এবং কে কত আধুনিক প্রজন্মের প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে এবং কে কত মডার্ন অ্যাপসকে আপলোড করতে পেরেছে ইনস্টল করতে পেরেছে এবং সেটাকে ড্রাইভ করতে পেরেছে এটাই কিন্তু প্রশ্ন। ফলে আমি মনে করি যে কষেত্রে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উপরে ভর করে আধুনিকতার সমস্ত কিছুকে নিয়ে আসার সুযোগ কিন্তু গ্লোবাল টেলিভিশনের আছে এবং আমি বিশ্বাস করি যে আপনাদের মালিকানা আপনাদের নীতি নির্ধারক এবং আপনাদের পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দ আধুনিক এই প্রযুক্তির যুগে একটি আধুনিক চ্যানেল হিসেবে চতুর্থ বর্ষ পূর্তিতে আপনাদের যাত্রা হবে আরো অনেক বেশি বেগবান। পরিশেষে আমি আবারো আপনাদের এই টেলিভিশন কেন্দ্র এবং এর সকল দর্শক শ্রোতার প্রতি গভীর ভালোবাসা জানিয়ে আমার শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষ করছি।গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ এন্ড কোম্পানিজের চেয়ারম্যান মোঃ হারুনুর রশীদগ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ এন্ড কোম্পানিজের  চেয়ারম্যান মোঃ হারুনুর রশীদ বলেছেন, আমি বিশেষভাবে বলতে চাই, আমি গত চার বৎসরের আপনারা যদি দেখেন যে গ্লোবাল টেলিভিশনের যে কার্যক্রম এবং সংবাদ বলেন বিনোদন অনুষ্ঠান বলেন এবং সব অনুষ্ঠানে আমরা নিরপেক্ষভাবে প্রচার করেছি এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করেছি। বিশেষ করে আমাদের যেসব অনুষ্ঠান আমরা অন্যান্য অনুষ্ঠান প্রচার করেছি সেগুলোর ভিতরে আমরা মানসম্মত কোন খারাপ অনুষ্ঠান আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের এ সমাজকে ভালো কিছু উপহার দিতে চাইছি। চেয়েছি এবং দিয়েছি এবং ভবিষ্যতেও আমরা আমাদের আজকে বাংলাদেশে যে গণতান্ত্রিক সরকার আসছে, এটাকে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য। বিশেষ করে বাংলাদেশকে গড়ার জন্য যত কিছু একটা মিডিয়া থেকে যতটুক সাপোর্ট করার দরকার আমরা ভবিষ্যতে করে যাব। এটা আমার প্রত্যাশা। আর আজকে আমি আমার বিশেষ করে টেলিভিশনের যারা কলাকৌশলী আছেন সাংবাদিক আছেন যত কর্মকর্তা কর্মচারী আছেন সবাইকে আমার অন্তর অন্তস্থল থেকে আন্তরিক অভিনন্দন শুভেচ্ছা। এই ভালো এই অনুষ্ঠান করার জন্য সবাইকে কষ্ট করছেন এজন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিষ্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন,বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মী কিন্তু খুব ভালো নেই। তাদের বেতন কাঠামো থেকে শুরু করে চাকরির নিরাপত্তা এবং পেনশন পর্যন্ত। প্রত্যেকটায় বলয়ে অনিরাপত্তা আছে। উপস্থিত মাননীয় তথ্যমন্ত্রী এই বিষয়ে ইতোমধ্যে কয়েক জায়গাতে কথা বলেছেন। এই মিডিয়া সেক্টরের প্রত্যেকটা সেকশনের কলা-কৌশলী, মালিকপক্ষের সাথে কথা বলা দরকার। যাতে এই সেক্টরকে স্বাতন্ত্র সত্তায় গড়া যায়। যেনো সরকার পরিবর্তন হয়ে গেলো টেলিভিশনকে সরকারের রংয়ে রঙ্গিন হতে না হয়। আত্মমর্যাদা সম্পন্ন প্রতিষ্ঠান না দাড়ানো পর্যন্ত দেশের গণতন্ত্র টেকসই হবে না।সাবেক বিএনপি নেতা সাইফুল আলম নীরবসাবেক বিএনপি নেতা সাইফুল আলম নীরব বলেছেন, আমি আশা করি, গ্লোবাল টেলিভিশন আগামী দিনে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সাংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তুলবে। দেশের প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্র ধরে রাখার জন্য বাংলাদেশের মানুষকে সচেতন করবে গ্লোবাল টেলিভিশন।গ্লোবাল টিভির সাবেক হেড অফ নিউজ নাজমুল আশরাফগ্লোবাল টিভির সাবেক হেড অফ নিউজ নাজমুল আশরাফ বলেছেন, গ্লোবাল টেলিভিশনে আমি খুব স্বল্প সময়ে ছিলাম। কিন্তু এই অল্প সময়ে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, এখানকার কর্তৃপক্ষ ও সহকর্মীদের যেই ভালোবাসা, সম্মান-শ্রদ্ধা এবং কাজ করার সুযোগ আমি পেয়েছি। এটা ভুলবার মতো নয়। পাঁচ মাসের অভিজ্ঞতা বহু জায়গার ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার মতো। গ্লোবাল টেলিভিশনে আমার হৃদয়ে সারাজীবনে স্থায়ী আসন গেড়ে থাকবে। আমি গ্লোবাল টেলিভিশনের সাফল্য কামনা করি। শত বছর পূর্ণ করুক গ্লোবাল টেলিভিশন।স্টার নিউজের সিইও মোকসেদুল কামালস্টার নিউজের সিইও মোকসেদুল কামাল বলেছেন, আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো, গ্লোবাল টেলিভিশনের জন্মলগ্নে সম্পৃক্ত থাকার। আমি ব্রডকাষ্টিংয়ের মানুষ হিসেবে জানি, এটি অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন টেলিভিশন। গ্লোবাল টেলিভিশন গত চার বছর এদেশের মানুষের হৃদয় জয় করেছে। আশা করছি, আগামীতে সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশের মানুষের হৃদয় জয় করবে।

Jatiyo Section Head
২ লাখ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে বাজেট পাস, মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো যা বরাদ্দ পেলো

২ লাখ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে বাজেট পাস, মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো যা বরাদ্দ পেলো

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। যা আগামীকাল (১ জুলাই) বুধবার থেকে নতুন বাজেট কার্যকর হবে। নতুন বাজেটে কর, ভ্যাট ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস করা হয়।এর আগে, সোমবার কয়েকটি সংশোধনীসহ অর্থবিল পাস করে জাতীয় সংসদ। সংশোধিত অর্থবিলে করমুক্ত আয়সীমা চার লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি আবাসন খাতে বিনা প্রশ্নে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের করপোরেট কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবও বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থবিল পাসের মধ্য দিয়ে কর ও শুল্কসংক্রান্ত সব প্রস্তাব চূড়ান্ত হয়েছে। সোমবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে, গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নির্দিষ্টকরণ আইন ২০২৬ পাসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর অনুকূলে বরাদ্দ দিয়ে মঞ্জুরি দাবি পাস করা হয়। ৫৯টি মঞ্জুরি দাবির বিপরীতের বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সদস্যরা ১৩৪৪টি ছাঁটাই প্রস্তাব প্রদান করেন। তার মধ্যে কিছু সংখ্যক ছাঁটাই প্রস্তাব আলোচনা করে তা নামঞ্জুর করা হয়। পরে সময় বাঁচানোর জন্য বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো প্রত্যাহার করে নিলে মঞ্জুরিগুলো দ্রুত পাস করা হয়।মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর জন্য বরাদ্দগুলো হলো— রাষ্ট্রপতির কার্যালয় : ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকাজাতীয় সংসদ : ২৯০ কোটি ৬০ লাখ টাকাপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় : ৩,৮৪৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকামন্ত্রিপরিষদ বিভাগ : ১০৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকাবাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট : ২৯১ কোটি ৩৮ লাখ টাকানির্বাচন কমিশন সচিবালয় : ৪,৪০০ কোটি ৭৯ লাখ টাকাজনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় : ৫,০৬৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকাবাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন : ১৩৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকাঅর্থ বিভাগ : ৮,৩০,৫৫১ কোটি ৯৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকামহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ৩৭৬ কোটি ৯০ লাখ টাকাঅভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ : ৪,৬৫৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকাআর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ : ৩,৫৬৬ কোটি ২৩ লাখ টাকাঅর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ : ৬৯,২৪৮ কোটি ৯০ লাখ ৬২ হাজার টাকাপরিকল্পনা বিভাগ : ৩৬,২৫১ কোটি ৩৫ লাখ টাকাবাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ : ২৩১ কোটি টাকাপরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ : ৬৭২ কোটি ১৫ লাখ টাকা,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় : ৩২৮ কোটি ২৫ লাখ টাকাপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় : ১,৮৪৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকাপ্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় : ৪২,৪৯৭ কোটি ৪৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকাসশস্ত্রবাহিনী বিভাগ : ৪৩ কোটি ৯০ লাখ টাকাআইন ও বিচার বিভাগ : ২,১৮৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকাস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় : ৩১,০৯৮ কোটি ৮৮ লাখ ১৫ হাজার টাকালেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ : ৪৯ কোটি ৪২ লাখ টাকাপ্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় : ৪৬,৭৩৭ কোটি ৯২ লাখ টাকামাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ : ৫৭,৩০১ কোটি ৬৮ লাখ টাকাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় : ১৮,১১৫ কোটি ৩ লাখ টাকাস্বাস্থ্য সেবা বিভাগ : ৪৯,৩৮৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকাতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ : ২,০৪৯ কোটি ২ লাখ টাকাসমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় : ৩০,৪৪২ কোটি ৬৬ লাখ টাকামহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৫,১৯৬ কোটি ১৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকাশ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় : ৪৬৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা,গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় : ৫,০৭৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকাতথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় : ১,১৮৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকাসংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় : ৮২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকাধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় : ২,৯৫৫ কোটি ৪২ লাখ টাকাযুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় : ২,৫৮৬ কোটি ৬ লাখ টাকাস্থানীয় সরকার বিভাগ : ৪০,২৪৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকাপল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ : ১,১০৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকাশিল্প মন্ত্রণালয় : ১,৬৯১ কোটি ৯০ লাখ টাকাপ্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় : ৮৭৯ কোটি ৯২ লাখ টাকাবস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় : ৫১১ কোটি ৯৮ লাখ টাকাজ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ : ২,৩৮৯ কোটি ২ লাখ টাকাকৃষি মন্ত্রণালয় : ২৮,৮৮১ কোটি ৩৯ লাখ টাকামৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় : ২,৭২৭ কোটি ৫১ লাখ ৭১ হাজার টাকা,পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় : ২,২৪০ কোটি ১২ লাখ টাকাভূমি মন্ত্রণালয় : ২,৪৩৯ কোটি ৪৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকাপানি সম্পদ মন্ত্রণালয় : ১০,৫৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকাখাদ্য মন্ত্রণালয় : ৩২,৪১৪ কোটি ৫৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকাদুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় : ১০,৩৪৯ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার টাকাপরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ: ৩৬,৯১৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকারেলপথ মন্ত্রণালয় : ৯৯৪০ কোটি ৪৪ লাখ টাকানৌ পরিবহন ৯,০৮০ কোটি ৩৮ লাখ টাকাবেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় : ১,৮৮৪ কোটি ১১ লাখ টাকাডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ : ২,১৪১ কোটি ২২ লাখ টাকাপার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় : ১,৪৫৭ কোটি ৮২ হাজার টাকাবিদ্যুৎ বিভাগ : ১৪,৯৯৬ কোটি ২ লাখ টাকামুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় : ৭,৫১৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকাদুর্নীতি দমন কমিশন : ১৯৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকাসেতু বিভাগ : ২,৯০৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকাকারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ : ১৮,৪৫৭ কোটি টাকা,স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ : ১৩,৪৬৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।-এজেড

Hero TOP
নিষেধাজ্ঞা থাকলে রাজনীতি করতে পারবে না আ’লীগ: তথ্য উপদেষ্টা

নিষেধাজ্ঞা থাকলে রাজনীতি করতে পারবে না আ’লীগ: তথ্য উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগের ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা পর্যন্ত দলটি কোনো নামেই রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কোনো নামে বা পরিচয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না। আদালত যখন এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত দেবেন, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কিছু গণমাধ্যম তা অনুসরণ করছে না। তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে আদালতের আদেশ ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান।ব্রিফিংয়ে তিনি আরও জানান, সীমান্তে অনুপ্রবেশ (পুশ-ইন) ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সক্রিয় রয়েছে। এ পর্যন্ত ভারত সীমান্তে ১৬৫টি এবং মিয়ানমার সীমান্তে ১৫টি পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি।এসএফ 

কঙ্গোতে ইবোলায় আক্রান্ত ১,৩০৭ ছাড়ালো, মৃত্যু ৩৭৭

কঙ্গোতে ইবোলায় আক্রান্ত ১,৩০৭ ছাড়ালো, মৃত্যু ৩৭৭

আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ। দেশটিতে ১ হাজার ৩০৭ জনের শরীরে ইবোলা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতুরি, উত্তর কিভু এবং দক্ষিণ কিভু প্রদেশে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। চতুর্থ আরেকটি প্রদেশেও সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।সংস্থাটির বরাত দিয়ে কঙ্গো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিকেল রিসার্চের (আইএনআরবি) একটি সূত্র জানিয়েছে, ভাইরাসজনিত এই রক্তক্ষরণজনিত জ্বর ওত-উয়েলে প্রদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। প্রদেশটির সঙ্গে দক্ষিণ সুদান ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের সীমান্ত রয়েছে। ইতুরির রাজধানী বুনিয়া থেকে একজন সংক্রমিত ব্যক্তি ওত-উয়েলে ভ্রমণ করার পর সেখানে সংক্রমণ শনাক্ত হয়। পরে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।আল জাজিরা জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষ এখন সংক্রমণের উৎস খুঁজে বের করতে এবং সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। ওত-উয়েলেতে ইবোলা ছড়িয়ে পড়ায় কঙ্গোর পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ অঞ্চলে প্রায় দেড় কোটি মানুষের বসবাস। সংঘাত-বিধ্বস্ত ইতুরি প্রদেশটি দেশের সর্বশেষ এবং ১৭তম ইবোলা প্রাদুর্ভাবপ্রবণ এলাকা। গত মে মাস থেকে সেখানে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ছে। কারণ এ সময় আক্রান্ত ব্যক্তির মরদেহ স্বজনদের সংস্পর্শে আসছে। ফলে সংক্রমণ আরও বিস্তার লাভ করছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থানীয় জনগণের অবিশ্বাসের কারণে সাহায্যকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নিরাপদে দাফনের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছেন। কারণ অনেকেই মৃতদের দেহ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকছেন না। কঙ্গোতে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া প্রায়ই কয়েক দিন ধরে চলে। এ সময় পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা মৃত ব্যক্তির দেহ স্পর্শ করেন। শনিবার সরকার রাজধানী কিনশাসাসহ চারটি প্রদেশে জনসমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সংক্রমণের বিস্তার রোধে সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে।-এজেড

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় প্রত্যয়, তিস্তাপাড়ে আনন্দের জোয়ার

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় প্রত্যয়, তিস্তাপাড়ে আনন্দের জোয়ার

 জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে বহুপ্রতীক্ষিত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৯শে জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর এমন ঐতিহাসিক ও জোরালো ঘোষণার পর তিস্তাপাড়ের লাখো মানুষের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে আন্দোলন করে আসছেন, তাদের মাঝেও স্বস্তি নেমে এসেছে। জনপ্রতিধি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।সোমবার দুপুরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিস্তা নদী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই যুগান্তকারী বক্তব্য ও প্রতিশ্রুতির খবর প্রচারিত হওয়ার সাথে সাথেই তিস্তা উপকূলের সর্বস্তরের মানুষ উল্লাসে ফেটে পড়েন। তারা অবহেলিত উত্তরাঞ্চলের মানুষের প্রতি সদয় হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।এর আগে সোমবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরকারের এই ঐতিহাসিক ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কথা জানান। দীর্ঘ এই সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বিক অর্থনীতি, কৃষি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, শিক্ষা এবং জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার এক সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্ষা মৌসুমের অতিরিক্ত পানি বৈজ্ঞানিক উপায়ে ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা যাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেচের পানি সরবরাহ পান, সেজন্য সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর পরপরই তিস্তা প্রসঙ্গে অত্যন্ত জোরালো ও দৃঢ় ভাষায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইনশাল্লাহ এই সরকার যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।তিনি আরও বলেন, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সংসদ সদস্যসহ পুরো উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের পানি ও তিস্তা নদী নিয়ে যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে এবং এর একটি স্থায়ী সমাধানে বদ্ধপরিকর।উত্তরাঞ্চলের মানুষের পানির ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দৃঢ় ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সংসদ সদস্যরা, বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের দুটি সবচেয়ে বড় কনসার্ন বা উদ্বেগের জায়গা হচ্ছে পদ্মা ও তিস্তা নদী। সরকার এই দুই অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল মুঠোফোনে বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখন অত্যন্ত দ্রুততার সাথে একটি কার্যকর পরিকল্পনার রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। জাতীয় বাজেটে যেহেতু তিস্তা নিয়ে এই মুহূর্তে সরাসরি কোনো সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ নেই, তাই দ্রুত প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রস্তুত করে তা পাসের মাধ্যমে বাস্তবায়নের মূল উদ্যোগ নিতে হবে।রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামছুজ্জামান সামু প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসী উদ্যোগ পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলের সামগ্রিক আর্থসামাজিক অবস্থার এক অভূতপূর্ব উন্নয়ন হবে। তখন খরা মৌসুমে পানির জন্য যেমন হাহাকার করতে হবে না, তেমনি বর্ষায় দুই কূল প্লাবিত হওয়ার চিরচেনা দুঃখের দৃশ্যও আর দেখতে হবে না।‘তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও’ সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদী এই অঞ্চলের মানুষের প্রধান দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাই এই মহাপরিকল্পনাটি দ্রুত একনেক (ECNEC) বৈঠকে পাস করে মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু করা হোক।একইভাবে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও কাউনিয়া উপজেলার আসাদুজ্জামানসহ সাধারণ নদীপাড়ের মানুষ আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদী ভাঙন ও বন্যার মাধ্যমে শত শত মানুষকে নিঃস্ব করে দেয়। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলের মানুষের আজীবনের দুঃখ ঘুচবে।পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, শুকনো মৌসুমে তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে মাত্র ৮০০ থেকে এক হাজার কিউসেকে এসে দাঁড়ায়। তখন তিস্তার চারিদিকে কেবল ধু-ধু বালুচর দেখা যায়। ভারত তিস্তার উজানে গজলডোবায় বাঁধ দিয়ে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করে নেওয়ার কারণে বাংলাদেশ অংশে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পে প্রতিবছরই মারাত্মক পানির ঘাটতি দেখা দেয়। আবার বিপরীত চিত্র দেখা যায় বর্ষাকালে। এ সময় ভারতের পাহাড়ি ঢলে বিপৎসীমা অতিক্রম করে পানি প্রবাহ হঠাৎ বেড়ে প্রায় ৪ লাখ কিউসেক হয়ে যায়। প্রবল পানির তোড়ে ডালিয়া ব্যারেজ ও আশপাশের অঞ্চল চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে। তখন ডালিয়া ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট (গেট) দিনরাত ২৪ ঘণ্টা খুলে রেখেও অতিরিক্ত পানি সরানো কঠিন হয়ে পড়ে। সূত্র আরো জানায়, শুকনো মৌসুমে ভারতের পানির ওপর শতভাগ নির্ভরতা থাকার কারণে তিস্তা অববাহিকার ৫টি জেলা নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় পানির জন্য তীব্র হাহাকার দেখা দেয়। তবে তিস্তা নিয়ে সরকারের এই কাঙ্ক্ষিত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে শুকনো মৌসুমে ভারতকে ছাড়াই নিজেদের সেচ কাজ চালানো যাবে, ভারতের কাছে পানির জন্য হাত পাততে হবে না। এ ছাড়া তিস্তা নদীকে ঘিরে প্রায় ১২০০ কিলোমিটারের বেশি শাখা খাল রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এসব খালে পানি ধরে রাখতে পারলে সারা বছর জুড়ে এই পানি কৃষিকাজে ব্যবহার করা যাবে। নদীতে বারো মাস পানি থাকলে কৃষিকাজ থেকে আরম্ভ করে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান ও অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপক উন্নতি সাধিত হবে। তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ও সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, এ অঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষের প্রাণের দাবি এই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন। প্রধানমন্ত্রীর এই দৃঢ় প্রত্যয় ও ঘোষণা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত উত্তরবঙ্গের মানুষকে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে।তিনি আরো যোগ করেন, আমাদের এই আন্দোলন মূলত এই অঞ্চলের মানুষকে অর্থনীতির দিক থেকে সমৃদ্ধ করবে, এমন একটি বড় প্রত্যাশা আমাদের ছিল। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার মাধ্যমে সেই স্বপ্ন আজ পূরণের পথে। অবহেলিত মানুষের পক্ষ থেকে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।(তথ্যসূত্র: বাসস)

Website Top Header
Jatiyo Section Head

অর্থ-বাণিজ্য

শিক্ষা

ফিচার

Website Top Header