ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ | ৫ জ্বিলকদ ১৪৪৭

শিরোনাম

সংসদ ভবনও লোডশেডিংয়ের আওতায় রাখা উচিত: বিরোধীদলীয় নেতা

সংসদ ভবনও লোডশেডিংয়ের আওতায় রাখা উচিত: বিরোধীদলীয় নেতা

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত ‘লোড ম্যানেজমেন্ট’ বা লোডশেডিং কার্যক্রম জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকেই শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কষ্টের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে সংসদকেও এই লোডশেডিংয়ের আওতায় রাখা উচিত।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্পিকার তাকে ফ্লোর দেন। সেসময় তিনি এসব কথা বলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, মাননীয় স্পিকার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ঢাকায় লোড ম্যানেজমেন্টের যে প্রস্তাব এনেছেন, আমি বলব মেহেরবানি করে এটি যেন সংসদ ভবন থেকে শুরু হয়। সংসদ যেন এর বাইরে না থাকে। ঢাকার অন্য অংশে যদি এক ঘণ্টা লোডশেডিং থাকে, তবে এখানেও যেন এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকে। এখান থেকে (সংসদ) যদি শুরু হয়, তবে দেশের সাধারণ জনগণ বুঝবে যে আমরা আসলে বাংলাদেশকে একটি ইউনিফর্ম কান্ট্রি (সমমর্যাদার দেশ) হিসেবে গড়ে তুলতে চাচ্ছি।

শফিকুর রহমানের এই প্রস্তাবের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেন যে, সংসদ অধিবেশন তো চালু রাখতে হবে, সংসদ বন্ধ করা যাবে না। এর জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা পুনরায় মাইক নিয়ে ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমি সংসদ ভবনের কথা বলেছি, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ের কথা বলিনি। অধিবেশনের বাইরেও সংসদ ভবনের অনেক কার্যক্রম থাকে, আমি সেই সময়ের কথা বুঝিয়েছি।

এদিন বিদ্যুৎ খাতের সমস্যা নিরসনে একটি বিশেষ কমিটি গঠনেরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানান বিরোধীদলীয় নেতা। এই কমিটিতে সরকারি দলের পাঁচজন সদস্যের পাশাপাশি বিরোধী দলের পক্ষ থেকেও পাঁচজন সদস্যের নাম ঘোষণা করেন ডা. শফিকুর রহমান। কমিটির জন্য প্রস্তাবিত বিরোধী দলীয় সদস্যরা হলেন, সাইফুল আলম খান (ঢাকা-১২), নুরুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), আব্দুল বাতেন (ঢাকা-১৬), মোহাম্মদ আবুল হাসনাত (কুমিল্লা-৪) এবং মুফতি আবুল হাসান (সিলেট-৫)।

—এজেড