দেশের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বড় বৈষম্যের বিষয়েও দৃষ্টি আকর্ষণ করে মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি-মিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক গতিপথের জন্য শক্ত ও টেকসই ভিত্তি গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বের মধ্যে অন্যতম হল দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অভিযাত্রার জন্য দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করে দেওয়া।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের ওশান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট-ওপিআরআই, মিডা এবং পিস অ্যান্ড পলিসি সল্যুশনস-পিপিএসের যৌথভাবে আয়োজিত ‘সাসটেইনেবল ব্লু ইকোনমি, কানেকটিভিটি ও রেজিলিয়েন্স ফর সাইডস’ শীর্ষক নর্থইস্ট ইন্ডিয়ান ওশান আঞ্চলিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ওপিআরআই-এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো এবং মিডার সদস্য কমোডর তানজিম ফারুক প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওপিআরআইর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. এমাদুল ইসলাম।
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের স্থলভাগের আয়তন যেখানে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার বর্গকিলোমিটার, সেখানে বঙ্গোপসাগরের প্রায় ১ লাখ ৬৪ হাজার বর্গকিলোমিটার জুড়ে দেশের সামুদ্রিক এলাকা বিস্তৃত। আয়তন বেশি হলেও গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণসহ সামুদ্রিক বিষয়গুলোর জন্য গুরুত্ব ও উদ্যোগ স্থলভিত্তিক বিষয়গুলোর এক-দশমাংশেরও কম।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র ৩০ দিন বাকি আছে। এখন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দায়িত্ব হল নতুন নির্বাচিত সরকারের জন্য কার্যকর ও ব্যবহারযোগ্য প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুত করা। চলমান কর্মশালাটি নির্বাচিত সরকারকে একটি শক্ত ভিত্তি এবং প্রাথমিক দিকনির্দেশনা দেবে। এটির মাধ্যমে আগামী সরকার কাজ এগিয়ে নিতে পারবে। আমাদের ব্লুপ্রিন্ট তাদের জন্য একটি ভালো শুরু হবে। এটি সমুদ্রসম্পদ ব্যবহার করে উপকূলীয় এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।