ঢাকা, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ | ১১ জ্বিলকদ ১৪৪৭

শিরোনাম

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং নিশ্চিত করা হবে: আইজিপি

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং নিশ্চিত করা হবে: আইজিপি

আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, প্রযুক্তি শুধু উন্নয়নের সহায়ক নয়, অপরাধের ধরনও বদলে দিচ্ছে। বর্তমানে অপরাধীরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন কৌশল গ্রহণ করছে। তাই এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনীকে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির সদর দপ্তরে সম্মেলনকক্ষে নয়টি অ্যাপ ও সফটওয়্যারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আইজিপির বক্তব্যের আগে নয়টি অ্যাপ ও সফটওয়্যার উদ্বোধন করা হয়। সেগুলো হলো এআই বেজড রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাক্ট ভায়োলেশন ডিটেকশন সিস্টেম; হোটেল বোর্ডার ইনফরমেশন সিস্টেম; হ্যালো ডিএমপি অ্যাপ; ডিএমপি অনলাইন ট্রেনিং সিস্টেম; ডিএমপি রেসিডেন্স অ্যালোকেশন সিস্টেম; ডিএমপি লিভ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম; ডিএমপি ট্রাফিক ডিউটি ডিস্ট্রিবিউশন সফটওয়্যার; ডিএমপি এমপ্লয়ি পারফরম্যান্স ইভ্যালুয়েশন সফটওয়্যার এবং ডিএমপি ট্রাফিক নিউজ আর্কাইভ।

আইজিপি বলেন, বর্তমান বিশ্ব চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে প্রযুক্তি শুধু উন্নয়নের সহায়ক নয়, অপরাধের ধরনও বদলে দিচ্ছে। অপরাধীরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন কৌশল গ্রহণ করছে। তাই পুলিশ বাহিনীকে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ডিএমপির উদ্যোগে তৈরি এসব সফটওয়্যার সময়োপযোগী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ, যা আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

আলী হোসেন ফকির বলেন, রোড ট্রান্সপোর্ট আইন ভায়োলেশন ডিটেকশন সিস্টেমের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এতে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, দুর্ঘটনা হ্রাস এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।‘হোটেল বোর্ডার ইনফরমেশন সিস্টেম’ নগরীর আবাসিক হোটেলগুলোর অতিথি ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করবে। এর ফলে অপরাধ প্রতিরোধ ও গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘হ্যালো ডিএমপি’ অ্যাপ জনগণ ও পুলিশের মধ্যে আধুনিক যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। নাগরিকেরা সহজেই বিভিন্ন সেবা গ্রহণ, অভিযোগ জানানো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে পারবেন, যা জনবান্ধব পুলিশিং গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসব উদ্যোগ পুলিশের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও গতিশীল করবে। বাংলাদেশ পুলিশ প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে সব সময় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।

—এজেড