নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ১৩ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২০০টি লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে কমিশন। মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলার ভিজিল্যান্স ও অভজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়া উদ্দিন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিয়াসহ নির্বাচন কর্মকর্তা ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বার্তা একটাই স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তা। মাঠপর্যায়ে এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হবে। আচরণবিধি প্রতিপালনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কমিশন কঠোর অবস্থানে থাকবে। প্রাথমিকভাবে আচরণবিধি প্রতিপালনে তাদের মধ্যে সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্ত:দলীয় সংঘাতের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম, যা একটি ইতিবাচক লক্ষণ। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসুক, কোনো দল যেন সহিংসতায় জড়িয়ে না পড়ে- সেভাবে একটি উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজন করাই সবার প্রত্যাশা।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, সঠিক তথ্য সঠিক সময়ে তুলে ধরা গণমাধ্যমের বড় দায়িত্ব। অপতথ্য ও গুজব রোধে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। অপতথ্য ছড়ানো যেমন অপরাধ, তেমনি অপতথ্য শেয়ার করাও অপরাধ—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কারও যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তাহলে নির্বাচনী ইনকোয়ারি কমিটি ও নির্বাচন কমিশনের কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।