ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ | ২৬ চৈত্র ১৪৩২ | ২০ শাওয়াল ১৪৪৭

এনবিআর চেয়ারম্যান

তামাক ও অ্যালকোহল পণ্যে কর কমানোর পরিকল্পনা নেই এনবিআরের

তামাক ও অ্যালকোহল পণ্যে কর কমানোর পরিকল্পনা নেই এনবিআরের

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে রাজস্ব বাড়ানোর চাপ আছে। তবে আসন্ন বাজেটে ব্যবসাবান্ধব কর-কাঠামো রাখা হবে। দেশের অর্থ সুরক্ষায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কর কমানো হবে না। জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় তামাক, অ্যালকোহল ও মিষ্টি পানীয় পণ্যে কর কমানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। এছাড়া বন্ডের মাধ্যমে আনা কাঁচামালের অবৈধ ব্যবহার ঠেকাতে বাজেটে কড়াকড়ি থাকবে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) এমচ্যাম, বিসিসিআইসহ ৬টি ব্যবসায়ী সংগঠনের আলোচনায় এ কথা জানান তিনি। আলোচনায় উঠে আসে সার চার্জ, টার্নওভার কর, ট্রেড লাইসেন্স ফি, কাস্টম জটিলতা, শুল্ক ও কর বিষয়ক নানা প্রস্তাবনা।

প্রাক বাজেট আলোচনায় আমেরিকান চেম্বারে জানায়, বর্তমানে সব মিলিয়ে ৮৫ শতাংশের বেশি কর দিতে হয় সিগারেটের ক্ষেত্রে যা অনেক বেশি। পাশাপাশি সফট ড্রিংকসে ৩০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক কমানোয় দাবি জানায় সংস্থাটি। সংগঠনটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে যাতে বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হয়।’ পাশাপাশি জটিলতা কামতে কাস্টমসের আধুনিকায়ন করার দাবিও জানানো হয়। এসময় দেশের নানা বন্দরে রিফান্ড পদ্ধতি চালু থাকলেও তা বেনাপোল বন্দরে নেই বলে জানায় ইন্ডিয়া বাংলাদেশ চেম্বার। ফলে অনেকে এখনো টাকা ফেরত পায়নি বলে অভিযোগ করেন তারা। আর নারীদের সর্বনিম্ন আয়করসীমা সাড়ে চার লাখ টাকা নির্ধারণের দাবি জানায় বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার। পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে কর সহায়ক নীতিমালা কাঠামো তৈরির দাবিও জানানো হয়।

ব্যক্তির আয় কমলে আগামী অর্থবছর থেকে এনবিআর আগাম কর সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রিফান্ড করবে। এছাড়া দেশের অর্থ বিদেশে যাওয়া ঠেকাতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, পণ্য আমদানিতে এনবিআর বিভিন্ন পর্যায়ে অগ্রীম কর আদায় করে থাকে। পরবর্তী বছরের করের সঙ্গে যা সমন্বয় করা হয়, এতে ব্যবসায়ীদের বড় অংকের মূলধন দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকে এবং ব্যবসার খরচ বেড়ে যায়। তবে যদি কোনো ব্যক্তির আয় অনুযায়ী কর বেশি কেটে নেয়া হয়, তা সরাসরি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ফেরত দেয়া হবে।

—এজেড