ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ | ২৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম

স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

 স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বিজয়ীদের হাতে এই পদক তুলে দেন। এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।

এবারের পুরস্কার তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষা ও দেশগঠনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে মরণোত্তর এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তাঁর পক্ষে পদক গ্রহণ করেন নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য মরণোত্তর পদক পেয়েছেন মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এই পুরস্কার লাভ করেছে। সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত ও মরণোত্তর বশির আহমেদ এবং সাহিত্যে মরণোত্তর ড. আশরাফ সিদ্দিকী পুরস্কৃত হয়েছেন। ক্রীড়া ক্ষেত্রে পদক পেয়েছেন জোবেরা রহমান লিনু।

সমাজসেবা ও জনসেবায় মরণোত্তর ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মরণোত্তর মাহেরীন চৌধুরী, মো. সাইদুল হক এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসওএস চিলড্রেন ভিলেজ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং জনপ্রশাসনে মরণোত্তর কাজী ফজলুর রহমান এই পদক পেয়েছেন। এছাড়া পল্লী উন্নয়নে পিকেএসএফ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আব্দুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং সম্মানির চেক প্রদান করা হয়। এর আগে গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল।

এসএফ