অ্যার্টনি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাষ্ট্র বিনির্মানের যে প্রত্যাশা জনগণের ছিল, তা পূরণে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার অত্যন্ত সুস্পষ্ট। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম হয়েছে। বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের সেই চেতনারই বহিঃপ্রকাশ। সরকার সেই চেতনা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ‘জুলাই যোদ্ধা’দের সুরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে জেলার কোটচাঁদপুর পাইলট হাইস্কুল ময়দানে স্থানীয় সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট একরামুল আলম, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুবকর বিশ্বাস, কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাসান, কোটচাঁদপুর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী, কেএমএইচ কলেজের সাবেক ভিপি আব্দুস সবুর খান প্রমুখ।
শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় প্রসঙ্গে অ্যার্টনি জেনারেল বলেন, ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে রায় দিয়েছেন। রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষের আইনগতভাবে আপিলের সুযোগ রয়েছে। সরকার বা আসামিপক্ষ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে রায়ের বিপক্ষে আপিল করতে পারবে। অভিযুক্ত আসামিরা সবসময়ই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে থাকে। তবে সংক্ষুব্ধ পক্ষের উচিত গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে আদালতেই তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করা।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে অ্যার্টনি জেনারেল বলেন, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর। আইনমন্ত্রী এ বিষয়ে জাতীয় সংসদে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। কাজেই, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে সরকারের অবস্থানের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে চাই। বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছেন। তবে তা এখনো চূড়ান্ত নয়। সুপ্রিম কোর্টে আপিল নিষ্পত্তির পরই বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হবে।
—এজেড