‘নববর্ষের ঐক্যতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করতে বান্দরবানে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ আয়োজনে বাঙালি সম্প্রদায়ের পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারী-পুরুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজে অংশগ্রহণ করেন। তাদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও বৈচিত্র্যময়।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে এক বর্ণিল শোভাযাত্রা বের হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাচিং প্রু বলেন, নববর্ষকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সকলকে সম্মিলিতভাবে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান জানান।
শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুরো আয়োজনটি বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং জেলা পরিষদের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস. এম. মনজুরুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবু তালেব, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরা মনি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক নুক্রাচিং মারমা, প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
—এজেড